বাসায় আসার আগেই আবার চিন্তা করতে হয় পরিবারের পিছনে ছুটার কথা।
প্রকৃতপক্ষে আমাদের এই ছুটেচলা প্রতিনিয়ত অবিরাম ধারায় চলতেই থাকে।
আমার কি কখনও ভেবে দেখেছি আমরা কেন ছুটছি?
আমরা কার জন্য ছুটে চলেছি?
আসলে আমরা কিসের পিছনে ছুটছি?
আমরা আমাদের নানান ধরনের চাহিদা, স্বপ্ন, আশা গুলো পূরণের জন্য ছুটে
চলেছি।আমরা আমাদের চূড়ান্ত গন্তব্যস্থলে পৌছানোর জন্য নানান ধরনের কাজে
ব্যস্ত হয়ে পড়ি।আমরা সাফল্যের জন্য যতটুকু কাজ করি আশানুরুপ ফলাফল না পেলে
হতাশ হয়ে পড়ি। এই হতাশা কখনই শেষ হয় না।
হতাশাগ্রস্থ হৃদয় নিয়ে বাড়িয়ে দেই প্রচেষ্টা।হয়ত বা জিবনের অন্তিম মুহুর্তে এসে পেয়ে শত কষ্টের সেই সাফল্য। পিছনে ফিরে তাকাই,বাস্তবতার সাথে মিলিয়ে দেখি এ সাফল্য যেন খুবই তুচ্ছ।
তখন সেই ব্যাধি আরোও বেড়ে যায়।নিজের আবস্থার পরিবর্তন কিংবা সন্তানের অনিশ্চিত ভবিষতের কথা চিন্তা করে ছিল এই ছুটে চলা।
আসলে আমরা ছুটেচিলাম এমন এক সাফল্যের পিছে যা কখনই আমাদের কে চূড়ান্ত গন্তব্যে পৌছে দিতে পারে না। তাই সাফল্য পাওয়ার পরেও আমরা হতাশায় ভুগি।
সোস্যাল মিডিয়ার ৫-১০ মিনিটের ভিডিও কিংবা প্রিয় কোন হুজুরের লেকচারে মনটা গলে গেল।জিবনের শেষ মুহুর্তে এসে বুঝতে পেরেছেন জিবনের চূড়ান্ত সাফল্য কি।মনে মনে প্রশ্ন করছেন এই বুঝ টা আগে আসলোনা কেনো?
অবাস্তব দুনিয়ার মোহ আমাদের আকড়ে ধরেছিল।
জিবনের শেষ অবস্তায় এসে খুব ইচ্ছে করছে আল্লাহর দিকে ফিরে আসতে।প্রশান্তির খোজে মনটা ব্যাকুল হয়ে যাচ্ছে।আল্লাহর দিকে প্রত্যাবর্তন করার ইচ্ছাটা খুবই তাড়া করছে।কিন্তু,পারছি না দুনিয়ার বোঝাটা যে তার থেকেও ভারি হয়ে গেছে।
খুব আফসোস হচ্ছে নিজেকে নিয়ে যৌবনের সেই যাযাবর সময়টাতে যদি ভুল সিদ্ধান্ত গুলো না নিতাম।তাহলে নিজেকে এই অবস্তায় দেখতে হতো নাহ।
সময় ফুড়িয়ে গেলেও আশার আলো তো এখনো মিটমিট করে জ্বলছে,
"আপনি বলে দিন যে, (আল্লাহ বলেন) হে আমার বান্দাগণ! যারা নিজেদের উপর অত্যাচার করেছো, তোমরা আল্লাহ তা'আলার রহ্মত হতে নিরাশ হয়ো না। নিঃসন্দেহে আল্লাহ (অতীতের) সমস্ত গুনাহ্ ক্ষমা করবেন; নিশ্চয়ই তিনি বড়ই ক্ষমাশীল, দয়ালু। আর তোমরা তোমাদের রবের দিকে প্রত্যাবর্তন কর এবং তার নিকট আত্মসমর্পণ কর আযাব আসার পূর্বেই, অতঃপর আর সাহায্য করা হবেনা।"
(সূরা আয যুমার: ৫৩-৫৪)
"আসলেই, আমরা যদি দুনিয়ার পিছনে ছুটে চলি, দুনিয়া পেতে পারি আবার নাও পেতে পারি।কিন্তু,যদি আখিরাতের পিছনে ছুটতে থাকি দুনিয়াও পাব আখিরাত ও পাব।"
এই বুঝটা যার যত তাড়াতাড়ি আসে সে তত তাড়াতাড়ি চূড়ান্ত সাফল্যের পথে ফিরে আসে।
নিজেকে প্রশ্ন করুন, আপনার কি সেই পথে ফিরে আসার সময় হয়েছে???
হতাশাগ্রস্থ হৃদয় নিয়ে বাড়িয়ে দেই প্রচেষ্টা।হয়ত বা জিবনের অন্তিম মুহুর্তে এসে পেয়ে শত কষ্টের সেই সাফল্য। পিছনে ফিরে তাকাই,বাস্তবতার সাথে মিলিয়ে দেখি এ সাফল্য যেন খুবই তুচ্ছ।
তখন সেই ব্যাধি আরোও বেড়ে যায়।নিজের আবস্থার পরিবর্তন কিংবা সন্তানের অনিশ্চিত ভবিষতের কথা চিন্তা করে ছিল এই ছুটে চলা।
আসলে আমরা ছুটেচিলাম এমন এক সাফল্যের পিছে যা কখনই আমাদের কে চূড়ান্ত গন্তব্যে পৌছে দিতে পারে না। তাই সাফল্য পাওয়ার পরেও আমরা হতাশায় ভুগি।
সোস্যাল মিডিয়ার ৫-১০ মিনিটের ভিডিও কিংবা প্রিয় কোন হুজুরের লেকচারে মনটা গলে গেল।জিবনের শেষ মুহুর্তে এসে বুঝতে পেরেছেন জিবনের চূড়ান্ত সাফল্য কি।মনে মনে প্রশ্ন করছেন এই বুঝ টা আগে আসলোনা কেনো?
অবাস্তব দুনিয়ার মোহ আমাদের আকড়ে ধরেছিল।
জিবনের শেষ অবস্তায় এসে খুব ইচ্ছে করছে আল্লাহর দিকে ফিরে আসতে।প্রশান্তির খোজে মনটা ব্যাকুল হয়ে যাচ্ছে।আল্লাহর দিকে প্রত্যাবর্তন করার ইচ্ছাটা খুবই তাড়া করছে।কিন্তু,পারছি না দুনিয়ার বোঝাটা যে তার থেকেও ভারি হয়ে গেছে।
খুব আফসোস হচ্ছে নিজেকে নিয়ে যৌবনের সেই যাযাবর সময়টাতে যদি ভুল সিদ্ধান্ত গুলো না নিতাম।তাহলে নিজেকে এই অবস্তায় দেখতে হতো নাহ।
সময় ফুড়িয়ে গেলেও আশার আলো তো এখনো মিটমিট করে জ্বলছে,
"আপনি বলে দিন যে, (আল্লাহ বলেন) হে আমার বান্দাগণ! যারা নিজেদের উপর অত্যাচার করেছো, তোমরা আল্লাহ তা'আলার রহ্মত হতে নিরাশ হয়ো না। নিঃসন্দেহে আল্লাহ (অতীতের) সমস্ত গুনাহ্ ক্ষমা করবেন; নিশ্চয়ই তিনি বড়ই ক্ষমাশীল, দয়ালু। আর তোমরা তোমাদের রবের দিকে প্রত্যাবর্তন কর এবং তার নিকট আত্মসমর্পণ কর আযাব আসার পূর্বেই, অতঃপর আর সাহায্য করা হবেনা।"
(সূরা আয যুমার: ৫৩-৫৪)
"আসলেই, আমরা যদি দুনিয়ার পিছনে ছুটে চলি, দুনিয়া পেতে পারি আবার নাও পেতে পারি।কিন্তু,যদি আখিরাতের পিছনে ছুটতে থাকি দুনিয়াও পাব আখিরাত ও পাব।"
এই বুঝটা যার যত তাড়াতাড়ি আসে সে তত তাড়াতাড়ি চূড়ান্ত সাফল্যের পথে ফিরে আসে।
নিজেকে প্রশ্ন করুন, আপনার কি সেই পথে ফিরে আসার সময় হয়েছে???

No comments:
Post a Comment