কেবলামুখী হওয়া ও তাকবীরে তাহরিমা
- নামাজ আদায়ে ইচ্ছুক ব্যক্তি কেবলামুখী হয়ে দাঁড়াবে। মহান আল্লাহ তাআলার সামনে সে দাঁড়িয়ে এ অনুভূতি হৃদয়ে জাগ্রত করবে। অন্তরে খুশু ও বিনম্রভাব সৃষ্টি করবে।
- এরপর অন্তরে নামাজের নিয়ত করবে।
- দু হাত কাঁধ বরাবর অথবা কান বরাবর উঠাবে ও বলবে,
«আল্লাহু আকবার» (আল্লাহ তা’য়ালা সর্বশ্রেষ্ঠ) (বর্ণনায় মুসলিম)
- এরপর ডান হাত দিয়ে বাম হাতের কব্জিতে ধরবে অথবা ডান হাত বাম হাতের ওপর রাখবে,
ছানা পাঠ ঃ
سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ، وتَبَارَكَ اسْمُكَ، وَتَعَالَى جَدُّكَ، وَلاَ إِلَهَ غَيْرُكَ
সুবহানাকা আল্লাহুম্মা ওয়া বিহামদিকা ওয়া তাবারাকাস্’মুকা ওয়া তায়া’লা জাদ্দুকা ওয়া লা ইলাহা গাইরুকা।.
অর্থ : হে আল্লাহ ! তুমি পাক্,তোমারই জন্য সমস্ত্ প্রশংসা, তোমার নাম পবিত্র এবং বরকতময়, তোমার গৌরব অতি উচ্চ,তুমি ছাড়া অন্য কেহ উপাস্য নাই ।
অর্থ : হে আল্লাহ ! তুমি পাক্,তোমারই জন্য সমস্ত্ প্রশংসা, তোমার নাম পবিত্র এবং বরকতময়, তোমার গৌরব অতি উচ্চ,তুমি ছাড়া অন্য কেহ উপাস্য নাই ।
আউজুবিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজিম বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম পাঠ ঃ
আউযু বিল্লাহি মিনাশ্ শাইত্বোনির রাজীম।
অর্থ: বিতারিত শয়তান হইতে,আল্লাহ তা’য়ালার আশ্রয় প্রার্থনা করিতেছি ।
বিসমিল্লাহির রহ্’মানির রহিম [শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুনাময়,অসীম দয়ালু]।«আমি অভিশপ্ত শয়তান থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাচ্ছি। আল্লাহর নামে শুরু করছি যিনি দয়াময় পরম দয়ালু।» (বর্ণনায় মুসলিম)
সূরা ফাতিহা পড়বে ঃ
সুরা নং- ০০১ : আল-ফাতিহা
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ
উচ্চারণ : বিসমিল্লাহির রহমা-নির রহি-ম।
অনুবাদ : শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।
الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ
উচ্চারণ : আলহামদু লিল্লাহি রব্বিল আ -লামি-ন।
অনুবাদ : যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহ তা’আলার যিনি সকল সৃষ্টি জগতের পালনকর্তা।
الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ
উচ্চারণ : আররহমা-নির রাহি-ম।
অনুবাদ : যিনি নিতান্ত মেহেরবান ও দয়ালু।
مَالِكِ يَوْمِ الدِّينِ
উচ্চারণ : মা-লিকি ইয়াওমিদ্দি-ন।
অনুবাদ : বিচার দিনের একমাত্র অধিপতি।
إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ
উচ্চারণ : ইয়্যা-কা না’বুদু ওয়া ইয়্যা-কা নাসতাই’-ন
অনুবাদ : আমরা একমাত্র তোমারই ইবাদত করি এবং শুধুমাত্র তোমারই সাহায্য প্রার্থনা করি।
اهْدِنَا الصِّرَاطَ الْمُسْتَقِيمَ
উচ্চারণ : ইহদিনাস সিরাতা’ল মুসতাকি’-ম
অনুবাদ : আমাদের সরল পথ দেখাও।
صِرَاطَ الَّذِينَ أَنْعَمْتَ عَلَيْهِمْ غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلَا الضَّالِّينَ
উচ্চারণ : সিরাতা’ল্লা যি-না আনআ’মতা আ’লাইহিম গা’ইরিল মাগ’দু’বি আ’লাইহিম ওয়ালা দ্দ-ল্লি-ন।
অনুবাদ : সে সমস্ত লোকের পথ, যাদেরকে তুমি নেয়ামত দান করেছ। তাদের পথ নয়, যাদের প্রতি তোমার গজব নাযিল হয়েছে এবং যারা পথভ্রষ্ট হয়েছে।
সূরা ফাতিহার পর অন্য একটি সূরা পড়বে অথবা কোরআন থেকে আয়াত পরবে ঃ
بِسْمِ اللّهِ الرَّحْمـَنِ الرَّحِيمِ
শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।
(1
أَلَمْ تَرَ كَيْفَ فَعَلَ رَبُّكَ بِأَصْحَابِ الْفِيلِ
আপনি কি দেখেননি আপনার পালনকর্তা হস্তীবাহিনীর সাথে কিরূপ ব্যবহার করেছেন?
Seest thou not how thy Lord dealt with the Companions of the Elephant?
(2
أَلَمْ يَجْعَلْ كَيْدَهُمْ فِي تَضْلِيلٍ
তিনি কি তাদের চক্রান্ত নস্যাৎ করে দেননি?
Did He not make their treacherous plan go astray?
(3
وَأَرْسَلَ عَلَيْهِمْ طَيْرًا أَبَابِيلَ
তিনি তাদের উপর প্রেরণ করেছেন ঝাঁকে ঝাঁকে পাখী,
And He sent against them Flights of Birds,
(4
تَرْمِيهِم بِحِجَارَةٍ مِّن سِجِّيلٍ
যারা তাদের উপর পাথরের কংকর নিক্ষেপ করছিল।
Striking them with stones of baked clay.
(5
فَجَعَلَهُمْ كَعَصْفٍ مَّأْكُولٍ
অতঃপর তিনি তাদেরকে ভক্ষিত তৃণসদৃশ করে দেন।
Then did He make them like an empty field of stalks and straw, (of which the corn) has been eaten up.
106) সূরা কোরাইশ - Surah Quraish (মক্কায় অবতীর্ণ - Ayah 4)
بِسْمِ اللّهِ الرَّحْمـَنِ الرَّحِيمِ
শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।
(1 لِإِيلَافِ قُرَيْشٍ
কোরাইশের আসক্তির কারণে,
For the covenants (of security and safeguard enjoyed) by the Quraish,
(2 إِيلَافِهِمْ رِحْلَةَ الشِّتَاء وَالصَّيْفِ
আসক্তির কারণে তাদের শীত ও গ্রীষ্মকালীন সফরের।
Their covenants (covering) journeys by winter and summer,-
(3 فَلْيَعْبُدُوا رَبَّ هَذَا الْبَيْتِ
অতএব তারা যেন এবাদত করে এই ঘরের পালনকর্তার
Let them adore the Lord of this House,
(4 الَّذِي أَطْعَمَهُم مِّن جُوعٍ وَآمَنَهُم مِّنْ خَوْفٍ
যিনি তাদেরকে ক্ষুধায় আহার দিয়েছেন এবং যুদ্ধভীতি থেকে তাদেরকে নিরাপদ করেছেন।
Who provides them with food against hunger, and with security against fear (of danger).
107) সূরা মাউন - Surah Al-Ma'un (মক্কায় অবতীর্ণ - Ayah 7)
بِسمِ اللَّهِ الرَّحمٰنِ الرَّحيمِ
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু
[1] أَرَءَيتَ الَّذى يُكَذِّبُ بِالدّينِ
[1] আরয়াইতাল্লাযী- ইয়ুকায্যিবু বিদ্দীন্।
[1] আপনি কি দেখেছেন তাকে, যে বিচারদিবসকে মিথ্যা বলে?
[1] Have you seen him who denies the Recompense?
[2] فَذٰلِكَ الَّذى يَدُعُّ اليَتيمَ
[2] ফাযা-লিকাল্লাযী ইয়াদু’উ’ল্ ইয়াতীমা
[2] সে সেই ব্যক্তি, যে এতীমকে গলা ধাক্কা দেয়
[2] That is he who repulses the orphan (harshly),
[3] وَلا يَحُضُّ عَلىٰ طَعامِ المِسكينِ
[3] অলা-ইয়াহুদ্ব্দু ‘আলা-তোয়া‘আ- মিল্ মিসকীন্।
[3] এবং মিসকীনকে অন্ন দিতে উৎসাহিত করে না।
[3] And urges not on the feeding of AlMiskîn (the poor),
[4] فَوَيلٌ لِلمُصَلّينَ
[4] ফাওয়াইলুল্লিল্ মুছোয়াল্লীনা।
[4] অতএব দুর্ভোগ সেসব নামাযীর,
[4] So woe unto those performers of Salât (prayers) (hypocrites),
[5] الَّذينَ هُم عَن صَلاتِهِم ساهونَ
[5] ল্লাযীনাহুম্ ‘আন্ ছলা-তিহিম্ সা-হূন্।
[5] যারা তাদের নামায সম্বন্ধে বে-খবর;
[5] Those who delay their Salât (prayer from their stated fixed times),
[6] الَّذينَ هُم يُراءونَ
[6] আল্লাযীনা হুম্ ইয়ুরা-য়ূনা
[6] যারা তা লোক-দেখানোর জন্য করে
[6] Those who do good deeds only to be seen (of men),
[7] وَيَمنَعونَ الماعونَ
[7] অইয়াম্ না‘ঊনাল্ মা-‘ঊন্।
[7] এবং নিত্য ব্যবহার্য্য বস্তু অন্যকে দেয় না।
[7] And prevent Al-Mâ'ûn (small kindnesses like salt, sugar, water).
108) সূরা কাওসার - Surah Al-Kauthar (মক্কায় অবতীর্ণ - Ayah 3)
بِسمِ اللَّهِ الرَّحمٰنِ الرَّحيمِ
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু
[1] إِنّا أَعطَينٰكَ الكَوثَرَ
[1] ইন্না য় আ’ত্বোয়াইনা-কাল্ কাওর্ছার।
[1] নিশ্চয় আমি আপনাকে কাওসার দান করেছি।
[1] Verily, We have granted you (O Muhammad (SAW)) Al-Kauthar (a river in Paradise);
[2] فَصَلِّ لِرَبِّكَ وَانحَر
[2] ফাছোয়াল্লি লিরব্বিকা ওয়ার্ন্হা।
[2] অতএব আপনার পালনকর্তার উদ্দেশ্যে নামায পড়ুন এবং কোরবানী করুন।
[2] Therefore turn in prayer to your Lord and sacrifice (to Him only)
[3] إِنَّ شانِئَكَ هُوَ الأَبتَرُ
[3] ইন্না শা য় নিয়াকা হুওয়াল্ আর্ব্তা।
[3] যে আপনার শত্রু, সেই তো লেজকাটা, নির্বংশ।
[3] For he who hates you (O Muhammad (Peace be upon him)), he will be cut off (from every posterity good thing in this world and in the Hereafter).
109) সূরা কাফিরুন - Surah Al-Kafirun (মক্কায় অবতীর্ণ - Ayah 6)
بِسمِ اللَّهِ الرَّحمٰنِ الرَّحيمِ
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু
[1] قُل يٰأَيُّهَا الكٰفِرونَ
[1] কুল্ ইয়া য় আইয়ুহাল্ কা-ফিরূনা ।
[1] বলুন, হে কাফেরকূল,
[1] Say (O Muhammad (SAW) to these Mushrikûn and Kâfirûn): "O Al-Kâfirûn (disbelievers in Allâh, in His Oneness, in His Angels, in His Books, in His Messengers, in the Day of Resurrection, and in Al-Qadar)!
[2] لا أَعبُدُ ما تَعبُدونَ
[2] লা য় আ’বুদু মা তা’বুদূনা।
[2] আমি এবাদত করিনা, তোমরা যার এবাদত কর।
[2] "I worship not that which you worship,
[3] وَلا أَنتُم عٰبِدونَ ما أَعبُدُ
[3] অলা য় আন্তুম্ ‘আ-বিদূনা মা য় আ’বুদ্।
[3] এবং তোমরাও এবাদতকারী নও, যার এবাদত আমি করি
[3] "Nor will you worship that which I worship.
[4] وَلا أَنا۠ عابِدٌ ما عَبَدتُم
[4] অলা য় আনা ‘আ-বিদুম্ মা-‘আবাততুম্।
[4] এবং আমি এবাদতকারী নই, যার এবাদত তোমরা কর।
[4] "And I shall not worship that which you are worshipping.
[5] وَلا أَنتُم عٰبِدونَ ما أَعبُدُ
[5] অলা য় আন্তুম্ ‘আ-বিদূনা মা য় আ’বুদ্।
[5] তোমরা এবাদতকারী নও, যার এবাদত আমি করি।
[5] "Nor will you worship that which I worship.
[6] لَكُم دينُكُم وَلِىَ دينِ
[6] লাকুম্ দীনুকুম্ অলিয়াদীন্।
[6] তোমাদের কর্ম ও কর্মফল তোমাদের জন্যে এবং আমার কর্ম ও কর্মফল আমার জন্যে।
[6] "To you be your religion, and to me my religion (Islâmic Monotheism)."
110) সূরা নছর - Surah An-Nasr (মদীনায় অবতীর্ণ - Ayah 3)
بِبِسمِ اللَّهِ الرَّحمٰنِ الرَّحيمِ
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু
[1] إِذا جاءَ نَصرُ اللَّهِ وَالفَتحُ
[1] ইযা-জ্বা-য়া নাছ্রুল্লা-হি অল্ফাত্হু
[1] যখন আসবে আল্লাহর সাহায্য ও বিজয়
[1] When there comes the Help of Allâh (to you, O Muhammad (SAW) against your enemies) and the conquest (of Makkah),
[2] وَرَأَيتَ النّاسَ يَدخُلونَ فى دينِ اللَّهِ أَفواجًا
[2] অরয়াইতান্না-সা ইয়াদ্খুলূনা ফী দীনিল্ লা-হি আফ্ওয়া-জ্বা-।
[2] এবং আপনি মানুষকে দলে দলে আল্লাহর দ্বীনে প্রবেশ করতে দেখবেন,
[2] And you see that the people enter Allâh's religion (Islâm) in crowds,
[3] فَسَبِّح بِحَمدِ رَبِّكَ وَاستَغفِرهُ ۚ إِنَّهُ كانَ تَوّابًا
[3] ফাসাব্বিহ্ বিহাম্দি রব্বিকা অস্তার্গ্ফিহু; ইন্নাহূ কা-না তাওয়্যা-বা-।
[3] তখন আপনি আপনার পালনকর্তার পবিত্রতা বর্ণনা করুন এবং তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করুন। নিশ্চয় তিনি ক্ষমাকারী।
[3] So glorify the Praises of your Lord, and ask His Forgiveness. Verily, He is the One Who accepts the repentance and Who forgives.
111) সূরা লাহাব - Surah Al-Lahab (মক্কায় অবতীর্ণ - Ayah 5)
بِسمِ اللَّهِ الرَّحمٰنِ الرَّحيمِ
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু
[1] تَبَّت يَدا أَبى لَهَبٍ وَتَبَّ
[1] তাব্বাত্ ইয়াদা য় আবী লাহাবিঁও অতাব্।
[1] আবু লাহাবের হস্তদ্বয় ধ্বংস হোক এবং ধ্বংস হোক সে নিজে,
[1] Perish the two hands of Abû Lahab (an uncle of the Prophet), and perish he!
[2] ما أَغنىٰ عَنهُ مالُهُ وَما كَسَبَ
[2] মা য় আগ্না-‘আন্হু মা-লুহূ অমা-কাসাব্
[2] কোন কাজে আসেনি তার ধন-সম্পদ ও যা সে উপার্জন করেছে।
[2] His wealth and his children will not benefit him!
[3] سَيَصلىٰ نارًا ذاتَ لَهَبٍ
[3] সাইয়াছ্লা- না-রন্ যা-তা লাহাবিঁও।
[3] সত্বরই সে প্রবেশ করবে লেলিহান অগ্নিতে
[3] He will be burnt in a Fire of blazing flames!
[4] وَامرَأَتُهُ حَمّالَةَ الحَطَبِ
[4] অম্রয়াতুহ্; হাম্মা-লাতাল্ হাত্বোয়াব্।
[4] এবং তার স্ত্রীও-যে ইন্ধন বহন করে,
[4] And his wife too, who carries wood (thorns of Sadan which she used to put on the way of the Prophet (SAW) , or use to slander him).
[5] فى جيدِها حَبلٌ مِن مَسَدٍ
[5] ফী জ্বীদিহা-হাব্লুম্ মিম্ মাসাদ্।
[5] তার গলদেশে খর্জুরের রশি নিয়ে।
[5] In her neck is a twisted rope of Masad (palm fibre).
112) সূরা এখলাছ - Surah Al-Ikhlas (মক্কায় অবতীর্ণ - Ayah 4)
بِبِسمِ اللَّهِ الرَّحمٰنِ الرَّحيمِ
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু
[1] قُل هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ
[1] কুল্ হুওয়াল্লা-হু আহাদ্।
[1] বলুন, তিনি আল্লাহ, এক,
[1] Say (O Muhammad (SAW)): "He is Allâh, (the) One.
[2] اللَّهُ الصَّمَدُ
[2] আল্লা-হুচ্ছমাদ্।
[2] আল্লাহ অমুখাপেক্ষী,
[2] "Allâh-us-Samad (السيد الذي يصمد إليه في الحاجات) [Allâh the Self-Sufficient Master, Whom all creatures need, (He neither eats nor drinks)].
[3] لَم يَلِد وَلَم يولَد
[3] লাম্ ইয়ালিদ্ অলাম্ ইয়ূলাদ্।
[3] তিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং কেউ তাকে জন্ম দেয়নি
[3] "He begets not, nor was He begotten;
[4] وَلَم يَكُن لَهُ كُفُوًا أَحَدٌ
[4] অলাম্ ইয়া কুল্লাহূ কুফুওয়ান্ আহাদ্।
[4] এবং তার সমতুল্য কেউ নেই।
[4] "And there is none co-equal or comparable unto Him."
113) সূরা ফালাক্ব - Surah Al-Falaq (মদীনায় অবতীর্ণ - Ayah 5)
بِسمِ اللَّهِ الرَّحمٰنِ الرَّحيمِ
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু
[1] قُل أَعوذُ بِرَبِّ الفَلَقِ
[1] কুল্ আ‘ঊযু বিরব্বিল্ ফালাক্বি।
[1] বলুন, আমি আশ্রয় গ্রহণ করছি প্রভাতের পালনকর্তার,
[1] Say: "I seek refuge with (Allâh) the Lord of the daybreak,
[2] مِن شَرِّ ما خَلَقَ
[2] মিন্ শাররি মা-খলাক্ব।
[2] তিনি যা সৃষ্টি করেছেন, তার অনিষ্ট থেকে,
[2] "From the evil of what He has created;
[3] وَمِن شَرِّ غاسِقٍ إِذا وَقَبَ
[3] অমিন্ শাররি গ-সিক্বিন্ ইযা-অক্বাব্।
[3] অন্ধকার রাত্রির অনিষ্ট থেকে, যখন তা সমাগত হয়,
[3] "And from the evil of the darkening (night) as it comes with its darkness; (or the moon as it sets or goes away)
[4] وَمِن شَرِّ النَّفّٰثٰتِ فِى العُقَدِ
[4] অমিন্ শাররি ন্নাফ্ফা-ছা-তি ফিল্ ‘উক্বদ্।
[4] গ্রন্থিতে ফুঁৎকার দিয়ে জাদুকারিনীদের অনিষ্ট থেকে
[4] "And from the evil of those who practise witchcrafts when they blow in the knots,
[5] وَمِن شَرِّ حاسِدٍ إِذا حَسَدَ
[5] অমিন্ শাররি হা-সিদিন্ ইযা-হাসাদ্।
[5] "And from the evil of the envier when he envies."
114) সূরা নাস - Surah Al-Nas (মদীনায় অবতীর্ণ - Ayah 6)
بِسمِ اللَّهِ الرَّحمٰنِ الرَّحيمِ
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু
[1] قُل أَعوذُ بِرَبِّ النّاسِ
[1] কুল্ আ‘ঊযু বিরব্বিন্না-স্।
[1] বলুন, আমি আশ্রয় গ্রহণ করিতেছি মানুষের পালনকর্তার,
[1] Say: "I seek refuge with (Allâh) the Lord of mankind,
[2] مَلِكِ النّاسِ
[2] মালিকিন্না-স্ ।
[2] মানুষের অধিপতির,
[2] "The King of mankind —
[3] إِلٰهِ النّاسِ
[3] ইলা-হি ন্না-স্
[3] মানুষের মা’বুদের
[4] مِن شَرِّ الوَسواسِ الخَنّاسِ
[4] মিন্ শাররিল ওয়াস্ ওয়া-সিল্ খান্না-সি
[4] তার অনিষ্ট থেকে, যে কুমন্ত্রণা দেয় ও আত্নগোপন করে,
[4] "From the evil of the whisperer (devil who whispers evil in the hearts of men) who withdraws (from his whispering in one's heart after one remembers Allâh) ,
[5] الَّذى يُوَسوِسُ فى صُدورِ النّاسِ
[5] আল্লাযী ইউওয়াস্ওয়িসু ফী ছুদূরিন্না-স্।
[5] যে কুমন্ত্রণা দেয় মানুষের অন্তরে
[5] "Who whispers in the breasts of mankind,
[6] مِنَ الجِنَّةِ وَالنّاسِ
[6] মিনাল্ জ্বিন্নাতি অন্না-স্।
[6] জ্বিনের মধ্য থেকে অথবা মানুষের মধ্য থেকে।
[6] "Of jinn and men."
রুকু ও রুকু থেকে উঠা ঃ
এরপর তাকবীর «আল্লাহু আকবার» দিয়ে রুকুতে যাবে। দুই হাঁটুর ওপর দু হাতের আঙ্গুলগুলো প্রশস্ত করে এমনভাবে রাখবে, মনে হবে যেন সে তা ধরে আছে। মাথা ও পিঠ সমান্তরাল রাখবে। এরপর বলবে:
سبحان ربي العظيم
সুবহানা রব্বিয়াল আযীম ।(আমার মহান প্রভু পবিত্র)
«অর্থাৎ পবিত্র-মহান আমার মহামহিম রব।
এরপর মাথা উঠাবে এবং ইমাম ও একাকী নামাজ আদায়কারী বলবে বর্ণনায় তিরমিযী):
سمع الله لمن حمده
সামিআল্লাহু লিমান হামিদা (যে আল্লাহর প্রশংশা করে,আল্লাহ তা শোনেন)।
অর্থাৎ, প্রশংসাকারীর প্রশংসা আল্লাহ তাআলা শুনেছেন।
আর সকলেই বলবে»
রব্বানা লাকাল হাম্’দ্ (হে আমাদের রব ! তোমার জন্যই সকল প্রশংসা)।
«হে আমাদের রব, সকল প্রশংসা আপনার জন্যেই।»(বর্ণনায় তিরমিযী)
রুকু থেকে উঠে, রুকুতে যাওয়ার পূর্বে দাঁড়ানো অবস্থায়, দুহাত যেভাবে রেখেছিল, সেভাবে রাখা মুস্তাহাব।
এর সাথেঃ হামদান্ কাছী-রান্ তাইয়্যেবাম্ মুবা-রাকান ফি-হ। (তোমার প্রশংসা অসংখ্য,উত্তম ও বরকতময়)
সিজদা ও সিজদা থেকে উঠা
- মুসল্লী তাকবীর দিয়ে সিজদায় যাবে। সিজদায় যাওয়ার সময় দুই হাঁটু প্রথমে রাখবে, এরপর হাত, এরপর কপাল ও নাক। দুই হাত কান বরাবর অথবা কাঁধ বরাবর কেবলামুখী করে বিছিয়ে দেবে।
দুই কনুই জমিন থেকে উঁচিয়ে রাখবে। বাহুর উর্ধ্বাংশ বগল, পেট ও রান থেকে দূরে রাখবে। সিজদাবস্থায় তিনবার বলবে:
سبحان ربي الأعلى
সুবহানা রব্বিয়াল আ’লা (আমার সর্বোচ্চ প্রতিপালকের [আল্লাহর] প্রশংসা করছি।)।
অর্থাৎ পবিত্র-মহান আমার রব, যিনি সর্বোর্ধ্ব। সিজদায় বেশি বেশি দুআ করবে।
- এরপর তাকবীর দিয়ে মাথা উঠাবে। এ সময় কাঁধ বা কান পর্যন্ত হাত উঠাবে না। বাম পা বিছিয়ে তার ওপর বসবে। ডান পা দাঁড় করিয়ে রাখবে। এ পায়ের আঙ্গুলগুলো কেবলামুখী করে রাখবে। দু হাত প্রশস্ত করে রানের ওপর রাখবে। হাতের আঙ্গুলগুলো থাকবে কেবলামুখী। এ সময় বলবে:
اللهم اغفر لي، وارحمني، واجبرني، واهدني، وارزقني
সিজদা থেকে উঠে বসে তাসবিহ্ (দুই সিজদার মাঝে):
আল্লাহুম্মাগফিরলী-,ওয়ারহামনী-,ওয়াহদিনী-, ওয়ারযুকনী।
অর্থঃ হে আল্লাহ্! আমাকে ক্ষমা কর, আমাকে রহম কর, আমাকে হেদায়াত দান কর, আমাকে রিযিক দান কর।
«হে আল্লাহ, আপনি আমাকে ক্ষমা করুন। আমার প্রতি রহম করুন। আমার ক্ষত দূর করুন। আমাকে আপনি হিদায়েত ও রিযিক দান করুন।»(বর্ণনায় তিরমিযী)
- এরপর তাকবীর দিয়ে প্রথম সিজদার মতোই দ্বিতীয় সিজদা করবে।
- এরপর তাকবীর দেয়া অবস্থায় মাথা উঠাবে এবং দাঁড়ানোর পূর্বে স্থির হয়ে মূহুর্তকাল বসবে। মালিক ইবনে হুআইরেছ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নামাজের বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেন যে, «তিনি স্থির হয়ে বসার পূর্বে দাঁড়াতেন না।»(বর্ণনায় বুখারী)
- এরপর হাতের ওপর ভর করে দ্বিতীয় রাকাতের জন্য দাঁড়াবে।
- প্রথম রাকাতের মতোই দ্বিতীয় রাকাত আদায় করবে। তবে প্রথম রাকাতের মতো প্রারম্ভিক দুআ তথা ছানা পড়বে না।
তাশাহ্হুদ
প্রথম দু রাকাত পড়া শেষ হলে প্রথম তাশাহ্হুদের জন্য মুসল্লী বসবে। বাম পা বিছিয়ে ডান পা দাঁড় করিয়ে রেখে বসবে। উভয় হাত উরুর ওপর রাখবে। বাম হাত প্রশস্ত করে রাখবে। আর ডান হাতের কনিষ্ঠা আঙ্গুল ও অনামিকা আঙ্গুল গুটিয়ে রাখবে। আর মধ্যমা আঙ্গুলকে বৃদ্ধাঙ্গুলের সাথে চক্রাকারে রাখবে। আর তার তর্জনী আঙ্গুল দ্বারা ইশারা দেবে এবং তার প্রতি দৃষ্টি নিক্ষেপ করবে। এবং বলবে:
التحيات لله، والصلوات والطيبات، السلام عليك أيها النبي ورحمة الله وبركاته، السلام علينا وعلى عباد الله الصالحين، أشهد أن لا إِله إِلا الله وأشهد أن محمداً عبده ورسوله
তাশাহ্’হুদ (আত্তাহিয়্যাতু):
আত্তাহিয়্যাতু লিল্লাহি ওয়াচ্ছালাওয়াতু ওয়াত্’ত্ব্ইয়্যিবাতু
(সমস্ত্ তা’যীম,সমস্ত্ ভক্তি,নামায,সমস্ত্ পবিত্র ইবাদত বন্দেগী আল্লাহর জন্য্,আল্লাহর উদ্দেশ্যে),
আস্’সালামু আ’লাইকা আইয়্যুহান্’নাবিয়্যু ওয়া রহ্’মাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু
(হে নবী! আপনাকে সালাম এবং আপনার উপর আল্লাহর অসীম রহমত ও বরকত)
আস্’সালামু আ’লাইনা ওয়া আলা ই’বদিল্লাহিছ্ ছ্বালিহীন
(আমাদের জন্য এবং আল্লাহর নেক বান্দাদের জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে শান্তি অবতীর্ন হোক)।
আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়া রাসুলুহু
(আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে এক আল্লাহ ব্যতীত অন্য কোন উপাস্য নাই এবং মোহাম্মদ (দঃ) আল্লাহর বান্দা ও রাসুল) ।
«সমস্ত সম্মানজন সম্বোধন আল্লাহর জন্য। সমস্ত শান্তি-কল্যাণ ও পবিত্রতার মালিক আল্লাহ তাআলা। হে নবী! আপনার প্রতি শান্তি, আল্লাহর রহমত ও বরকত বর্ষিত হোক। আমাদের প্রতি এবং আল্লাহর নেক বান্দাদের প্রতি শান্তি বর্ষিত হোক। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে আল্লাহ ছাড়া আর কোনো ইলাহ নেই। আমি আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি যে মুহাম্মদ আল্লাহর বান্দা ও রাসূল।»(বর্ণনায় বুখারী)
এরপর দরুদ পড়বে ও বলবে:
اللهم صل على محمد وعلى آل محمد، كما صليت على إِبراهيم وعلى آل إِبراهيم إِنك حميد مجيد. اللهم بارك على محمد وعلى آل محمد، كما باركت على إِبراهيم وعلى آل إِبراهيم إِنك حميد مجيد
দরুদ শরীফ:
আল্লাহুম্মা ছাল্লি আ’লা মুহাম্মাদিওঁ ওয়া আ’লা আলি মুহাম্মাদিন কামা সাল্লাইতা আ’লা ইব্রাহীমা ওয়া আ’লা আলি ইব্রাহীমা ইন্নাকা হামীদুম্ মাজীদ
[হে আল্লাহ্! হযরত মোহাম্মদ (দঃ) এবং মোহাম্মদ (দঃ)-এর আওলাদগনের উপর তোমার খাস রহমত নাযিল কর,যেমন ইবরাহীম (আঃ) এবং ইবরাহীম (আঃ)-এর আওলাদগনের তোমার উপর খাস্ রহমত নাযিল করেছ,নিশ্চয়ই তুমি প্রসংশার যোগ্য এবং সর্বোচ্চ্ সম্মানের অধিকারী]।
আল্লাহুম্মা বারিক আ’লা মুহাম্মাদিওঁ ওয়া আ’লা আলি মুহাম্মাদিন কামা বারাক্’তা আ’লা ইব্রাহীমা ওয়া আ’লা আলি ইব্রাহীমা ইন্নাকা হামীদুম্ মাজীদ
[হে আল্লাহ্! হযরত মোহাম্মদ (দঃ) এবং মোহাম্মদ (দঃ)-এর আওলাদগনের উপর তোমার খাস বরকত নাযিল কর,যেমন ইবরাহীম (আঃ) এবং ইবরাহীম (আঃ)-এর আওলাদগনের তোমার উপর খাস্ বরকত নাযিল করেছ,নিশ্চয়ই তুমি প্রসংশার যোগ্য এবং সর্বোচ্চ্ সম্মানের অধিকারী]
«হে আল্লাহ, আপনি মুহম্মাদের প্রতি এবং মুহাম্মদের পরিবারের প্রতি রহমত বর্ষণ করুন, যেমনিভাবে রহমত বর্ষণ করেছেন ইবরাহীমের প্রতি এবং ইবরাহীমের পরিবারের প্রতি। নিশ্চয় আপনি প্রশংসিত ও মহাসম্মানিত। হে আল্লাহ, আপনি মুহাম্মদ এবং তাঁর পরিবারের প্রতি বরকত নাযিল করুন, যেমনিভাবে আপনি রবকত নাযিল করেছেন ইবরাহীমের প্রতি এবং ইবরাহীমের পরিবারের প্রতি। নিশ্চয় আপনি প্রশংসিত ও মহাসম্মানিত।»(বর্ণনায় আবু দাউদ)
এরপর বলবে: দোয়া মাছুরাঃ
اللهم إني ظلمت نفسي ظلما كثيرا ولا يغفر الذنوب إلا أنت فاغفرلي مغفرة من عندك، إنك أنت الغفور الرحيم.
দোয়া মাছুরাঃ
আল্লাহুম্মা ইন্নি যালামতু নাফসি যুলমান কাছ্বীরাও ওয়ালা ইয়াগফিরুদ্বুনুবা ইল্লা আনতা ফাগফিরলী মাগফিরাতাম্ মিন ইনদিকা ওয়ারহামনী, ইন্নাকা আন্তাল গাফুরুর রাহীম (আরেক বর্ণনায়ঃ ইন্নাকা আন্তাত্ তাওয়াবুর রাহীম)।
অর্থঃ হে আল্লাহ, আমি আমার নিজের উপর অনেক বেশী যুলুম করেছি, আর তুমি ছাড়া আমার গুনাসমুহ আর কেহই মাফ করতে পারে না; সুতরাং তুমি তোমার নিজ গুনে আমাকে মার্জনা করে দাও এবং আমার প্রতি রহম কর। তুমিতো মার্জনাকারী ও দয়ালু।
«হে আল্লাহ, নিশ্চয় আমি নিজের ওপর অনেক জুলুম করেছি। আর গুনাহ তো কেবল আপনিই মাফ করেন। অতএব আপনি আমাকে আপনার পক্ষ থেকে মাফ করে দিন। নিশ্চয় আপনি অতি ক্ষমাশীল, অতি দয়ালু।»(বর্ণনায় বুখারী)
অথবা বলবে:
اللهم إني أعوذ بك من عذاب جهنم، ومن عذاب القبر، ومن فتنة المحيا والممات، ومن شر فتنة المسيح الدجال
«হে আল্লাহ, আমি জাহান্নামের আযাব থেকে আপনার কাছে আশ্রয় চাচ্ছি। কবরের আযাব থেকে আপনার কাছে আশ্রয় চাচ্ছি। জীবন ও মৃত্যুর ফিতনা থেকে আপনার কাছে আশ্রয় চাচ্ছি। দাজ্জালের অনিষ্টতা থেকে আপনার কাছে আশ্রয় চাচ্ছি।»(বর্ণনায় বুখারী)
সালাম ঃ
নামাজান্তে মুসল্লী তার ডানে ও বামে সালাম ফেরাবে এবং বলবে:
السلام عليكم ورحمة الله
আস-সালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ
***সালাম ফিরানোর পরের তাসবীহ সমুহ:
আস্তাগফিরুল্লাহ্ (আমি আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করছি)
(সোবহানাল্লাহ্) (আল্লাহ্ মহাপবিত্র) ৩৩ বার, (আল-হামদুলিল্লাহ্) (সকল প্রশংসা আল্লাহর) ৩৩ বার এবং আল্লাহু আকবার) (আল্লাহ্ সবচেয়ে বড়) ৩৪ বার পড়বে।
আর একশত পূর্ণ করতে নিম্নের দো’আটি পড়বেঃ
(লা-ইলাহা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহদাহু লা-শারী-কালাহু,লাহুল মুলকু, ওয়ালাহুল হামদু,ওয়া হুয়া ‘আলা- কুল্লি শাইইন ক্বাদী-র।)অর্থঃ আল্লাহ্ ছাড়া (সত্য) কোন মা’বূদ নেই, তিনি একক, তাঁর কোন শরীক নেই। সকল বাদশাহী ও সকল প্রশংসা তাঁরই জন্য। তিনিই সব কিছুর উপর ক্ষমতাশালী।
ফেসবুকে শেয়ার করে রাখুন ↓↓↓
No comments:
Post a Comment