Breaking

21 April, 2020

কিভাবে সৃষ্টি হলো মহা বিশ্ব জানুন কোরআন ও বিজ্ঞান থেকে

বর্তমানে যেকোনো বিজ্ঞান বিষয়ে জানা লোককে যদি জিজ্ঞাসা করি এ পৃথিবীর সৃষ্টি কিভাবে হয়েছে তাহলে সে বলবে বিগ ব্যাং তত্ত্বের কথা।এটির বিষরে সর্বপ্রথম বলেন জর্জ এদুয়ার ল্যমেত্র্ ১৯২০ সালে।এরপর ১৯২৭ সালে তিনি এ প্রস্তাব সকলের সামনে নিয়ে আসেন।
বিগ ব্যাং তত্ত্বঃ প্রথমে এই বিশ্ব জগতের সব কিছু ছিল একটা বিন্দুতে।তারপর সেখানে একটা বিস্ফোরণ হলো।এ থেকেই তৈরি হলো ছায়াপথ। যেটা আবারও খন্ড-বিখন্ড হয়ে তৈরি হলো বিভিন্ন সৌরজগত, নক্ষত্র, গ্রহ এবং আমাদের এই পৃথিবী। 


এটি পবিত্র কুরআন এ ১৪০০ বছর পূর্বেই কে উল্লেখ করতে পারে?
সূরাহ আল-আম্বিয়া, আয়াত ৩০(২১.৩০)

اَوَ لَمۡ یَرَ الَّذِیۡنَ کَفَرُوۡۤا اَنَّ السَّمٰوٰتِ وَ الۡاَرۡضَ کَانَتَا رَتۡقًا فَفَتَقۡنٰہُمَا ؕ وَ جَعَلۡنَا مِنَ الۡمَآءِ کُلَّ شَیۡءٍ حَیٍّ ؕ اَفَلَا یُؤۡمِنُوۡنَ ﴿۳۰﴾

অর্থঃযারা কুফরী করে তারা কি দেখে না যে, আসমানসমূহ ও যমীন মিশে ছিল ওতপ্রোতভাবে, তারপর আমরা উভয়কে পৃথক করে দিলাম ; এবং প্রাণবান সব কিছু সৃষ্টি করলাম পানি থেকে ; তবুও কি তারা ঈমান আনবে না?

আয়াতের ব্যাখ্যাঃ
যারা কুফরী করে তারা কি ভেবে দেখে না যে, আসমানসমূহ ও যমীন ওতপ্রোতভাবে মিশে ছিল*, অতঃপর আমি উভয়কে পৃথক করে দিলাম, আর আমি সকল প্রাণবান জিনিসকে পানি থেকে সৃষ্টি করলাম। তবুও কি তারা ঈমান আনবে না? 


* আধুনিক জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মতে আদিতে আকাশ, সূর্য, নক্ষত্র ও পৃথিবী ইত্যাদি পৃথক সত্তায় ছিল না; বরং সবকিছুই ওতপ্রোতভাবে মিশে ছিল। তখন মহাবিশ্ব ছিল অসংখ্য গ্যাসীয় কণার সমষ্টি। পরবর্তীকালে মহাবিস্ফোরণের মাধ্যমে নক্ষত্র, সূর্য, পৃথিবী ও গ্রহসমূহ সৃষ্টি হয়। এটিই বিগ ব্যাং বা মহাবিস্ফোরণ থিওরী।
পবিত্র কুরআন এর এই আয়াতে বিগ ব্যাং এর কথা বলা হয়েছে খুব সংক্ষেপে।
এছাড়াও পবিত্র কুরআন এর ফুসসিলাত সূরার ১১ নাম্বার আয়াতে আল্লাহ তায়ালা বলেনঃ

41:11
ثُمَّ اسۡتَوٰۤی اِلَی السَّمَآءِ وَ ہِیَ دُخَانٌ فَقَالَ لَہَا وَ لِلۡاَرۡضِ ائۡتِیَا طَوۡعًا اَوۡ کَرۡہًا ؕ قَالَتَاۤ اَتَیۡنَا طَآئِعِیۡنَ ﴿۱۱﴾
অর্থঃতারপর তিনি আসমানের দিকে মনোনিবেশ করেন। তা ছিল ধোঁয়া। তারপর তিনি আসমান ও যমীনকে বললেন, ‘তোমরা উভয়ে স্বেচ্ছায় অথবা অনিচ্ছায় আস’। তারা উভয়ে বলল, ‘আমরা অনুগত হয়ে আসলাম’।

যে আরবি অর্থ টা এখানে বলা হয়েছে তা হলো (دخان) যার অর্থ ধোঁয়া।
আর আমারা জানি মহাবিশ্ব সৃষ্টির পর্বে তা ছিল বায়বীয় অবস্থায়। 


অর্থাৎ আল্লাহ তায়ালা এখানে-ও অতি সংক্ষেপে পৃথিবী সৃষ্টির পর্বে পৃথিবী কেমন ছিল তা উল্লেখ করেছেন।


অবিশ্বাসীরা কি তাও বিশ্বাস আনবে নাহ???

No comments:

Post a Comment

Total Pageviews