মানি যতক্ষন পর্যন্ত আমাদের পক্ষে যায়।"
(পুরো লেখাটি না পড়ে মন্তব্য করবেন না)
একটা উদাহরন দেয়া যাক, আপনি দেখবেন আপনার আশে পাশে এমন অনেক মানূষ আছেন যারা মোটামুটি নামাজ পরেন,ধর্মের বিষয়ে বিজ্ঞ আবার তারাই সুদের লেনদেনের সাথে জড়িত।তাদের মধ্যে অনেকেই জানে এ কাজটি ইসলামের দৃষ্টিতে খুবই খারাপ ও বড় ধরনের পাপের কাজ।
আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
"যদি তোমরা (সুদ) পরিত্যাগ না করো তবে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের সাথে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হও।" (সূরা বাকারা- ২৭৯)
জেনে হোক বা না জেনে হোক তারা অনবরত এই কাজটি করে চলেছে।সমস্যা হয় তখনি যখন আপনি তাদের বোঝাতে যাবেন, আপনি যতই কোরআন হাদিস দিয়ে তাদের বোঝাতে যাবেন দেখবেন তারা এই ব্যাপারটা তাদের মানতে রাজি নয়।কারন কাজটি তাদের বিপক্ষে চলে গেছে।
আমাদের সমাজের বেশির ভাগ মানুষ গুলো এরকমই। এজন্যই আমাদের সমাজে দিন দিন সুদের পরিমান বৃদ্ধি পাচ্ছে। আপনি বিষয় পরিবর্তন করে তাদের পক্ষে যায় এরকম বিষয়ে কথা বলুন দেখবেন তারা আপনার কথা খুবই মনোযোগ সহকারে শুনছে।
আমাদের সমাজের যুবকদের মধ্যেও এই সমস্যাটি ব্যাপক হারে দেখা যায়।আমাদের মাঝে কিছু যুবক ভাই আছেন যারা ইসলামে মোটামুটি প্রবেশ করতে চান কিন্তু "হারাম রিলেশনশীপ" ছাড়তে রাজি নন।তাদেরকেও যখন এ সম্পর্কে দাওয়াত দেওয়া হয়,তারাও একটা বিরক্তির ভাব প্রকাশ করে।
কারন,কোরআনের এ বিষয়টা তাদের মতের বিরুদ্ধে যায় তারা সহজেই এটা মেনে নিতে পারে না।তারাও ঐ সমস্ত বিষয় গুলো মানতে রাজি যা তাদের পক্ষে যায়।
"মুমিনদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টি নত রাখে এবং তাদের যৌনাঙ্গর
হেফাযত করে। এতে তাদের জন্য খুব পবিত্রতা আছে। নিশ্চয় তারা যা করে আল্লাহ তা অবহিত আছেন।" (সূরা নূর-৩০)
আমি এখানে শুধুমাত্র দূটি ব্যাপারে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেছি,এছাড়াও এধরনের কোরআন ও সহিহ হাদিসের আরো অনেক বিষয় রয়েছে যা আমাদের মতের বিরুদ্ধে যায়।কষ্ট লাগে তখনই যখন জানার পরেও আমরা মানতে রাজি হই না।
আপনাদের সাড়া ও সাহায্য পেলে এ সম্পর্কে আরও লিখব যাতে আমাদের সমাজ থেকে এই সমস্যা গুলো সমাধান হয়। ভালো লাগলে লেখাটি কপি অথবা শেয়ার করে দিন যাতে আমরা আমাদের ভুল গুলো বুঝতে পারি এবং আল্লাহর দিকে অগ্রসর হতে পারি।ইনশা আল্লাহ।
"সুসংবাদ তাদের জন্য যারা বিশ্বাস করেছে"
"যদি তোমরা (সুদ) পরিত্যাগ না করো তবে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের সাথে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হও।" (সূরা বাকারা- ২৭৯)
জেনে হোক বা না জেনে হোক তারা অনবরত এই কাজটি করে চলেছে।সমস্যা হয় তখনি যখন আপনি তাদের বোঝাতে যাবেন, আপনি যতই কোরআন হাদিস দিয়ে তাদের বোঝাতে যাবেন দেখবেন তারা এই ব্যাপারটা তাদের মানতে রাজি নয়।কারন কাজটি তাদের বিপক্ষে চলে গেছে।
আমাদের সমাজের বেশির ভাগ মানুষ গুলো এরকমই। এজন্যই আমাদের সমাজে দিন দিন সুদের পরিমান বৃদ্ধি পাচ্ছে। আপনি বিষয় পরিবর্তন করে তাদের পক্ষে যায় এরকম বিষয়ে কথা বলুন দেখবেন তারা আপনার কথা খুবই মনোযোগ সহকারে শুনছে।
আমাদের সমাজের যুবকদের মধ্যেও এই সমস্যাটি ব্যাপক হারে দেখা যায়।আমাদের মাঝে কিছু যুবক ভাই আছেন যারা ইসলামে মোটামুটি প্রবেশ করতে চান কিন্তু "হারাম রিলেশনশীপ" ছাড়তে রাজি নন।তাদেরকেও যখন এ সম্পর্কে দাওয়াত দেওয়া হয়,তারাও একটা বিরক্তির ভাব প্রকাশ করে।
কারন,কোরআনের এ বিষয়টা তাদের মতের বিরুদ্ধে যায় তারা সহজেই এটা মেনে নিতে পারে না।তারাও ঐ সমস্ত বিষয় গুলো মানতে রাজি যা তাদের পক্ষে যায়।
"মুমিনদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টি নত রাখে এবং তাদের যৌনাঙ্গর
হেফাযত করে। এতে তাদের জন্য খুব পবিত্রতা আছে। নিশ্চয় তারা যা করে আল্লাহ তা অবহিত আছেন।" (সূরা নূর-৩০)
আমি এখানে শুধুমাত্র দূটি ব্যাপারে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেছি,এছাড়াও এধরনের কোরআন ও সহিহ হাদিসের আরো অনেক বিষয় রয়েছে যা আমাদের মতের বিরুদ্ধে যায়।কষ্ট লাগে তখনই যখন জানার পরেও আমরা মানতে রাজি হই না।
আপনাদের সাড়া ও সাহায্য পেলে এ সম্পর্কে আরও লিখব যাতে আমাদের সমাজ থেকে এই সমস্যা গুলো সমাধান হয়। ভালো লাগলে লেখাটি কপি অথবা শেয়ার করে দিন যাতে আমরা আমাদের ভুল গুলো বুঝতে পারি এবং আল্লাহর দিকে অগ্রসর হতে পারি।ইনশা আল্লাহ।
"সুসংবাদ তাদের জন্য যারা বিশ্বাস করেছে"

No comments:
Post a Comment