গত ১৫ জানুয়ারি গাজিপুরে ৪ জন যুবক ছেলে মিলে একটি মেয়েকে ধর্ষন করে ।তারা জন্মদিনের অনুষ্টানে কিশোরিকে ডেকে এনে গন ধর্ষন করার অবি্যোগ ওঠে। পরে তারা স্বীকার ও করে।
ঘটনায় তাদের সাথে জড়িত ছিলো ঐ কিশোরির বান্ধুবিও।গন ধর্ষনের পর তারা ফেসবুক লাইভে এসে
বিক্রিত উল্লাস করে এবং বলে, আমরা আগামি কাল জেলে থাকতে পারি।
৪ যুবক সহ মেয়ের বান্ধুবিকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১।র্যাব জানায় মেয়েটিকে নেশাযাত দ্রব্য খাওয়ানো হয় এবং অজ্ঞান করানো হয়।
চার জন আসামির নামঃ
১।মোঃ শরিফ হোসেন
২।ইমরান হাসান (সুজন)
৩।শরিফ উদ্দিন মোল্লা
৪।আহসান ওরুফে হাসান
গ্রেফতারের পর কিশোরির পরিবারকে হুমকি দেওয়ার অভি্যোগ করেছে স্বজনরা।তারা জানায়, ধর্ষকদের পক্ষ থেকে তাদের বলা হয়েছে এসব মামলা ব্যাপার নাহ, দুই চার দিন গেলে এমনেই পানি হয়ে যাবে।
ভিডিওঃ
আমাদের দেশে দিন দিন ধর্ষনের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে । আমাদের অসচেতনতাই দিন দিন ধর্ষন বাড়ছে।ক্ষমতাশীল দলের কারনে ধর্ষকদের বিচার হচ্ছে না। ফলে কেউ আর এ কাজ করতে ভয় পায় না।
আমাদের ইসলামে এ কাজটি খুবই একটি গুনাদের কাজ। মুসলমান জাতি হিসেবে আমাদের উচিত এ সকল অপরাধিদের শাস্তির আওতার আনা।এর আগেও এরকম অনেক ঘটনা ঘটেছে কিন্তু বিচার হয়নি।কারন নতুন কোন ঘটনা সামনে আসলে আমরা পূর্বেরটা ভুলে যাই। তাই আমাদের উচির এই অপরাধিদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো এবং যত তারাতারি সম্ভব এদের বিচার কার্য সম্পন করা।
ইসলামের দৃষ্টিতে ধর্ষকের শাস্তি ভয়াবহ।যা ইসলামিক অনেক দেশেই প্রচলিত,দুঃখের ব্যাপার আমাদের দেশে ৯০% মুসলমান হওয়া সত্বেও এ আইনটি করা হয়নি।
‘আর ব্যভিচারের কাছেও যেয়ো না। নিশ্চয় এটা অশ্লীল কাজ এবং মন্দ পথ।’ –সূরা আল ইসরা: ৩২
বাংলাদেশ সরকারের কাছে আমাদের দাবি দেশের প্রচলিত আইন অনুসারে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বিচারের ব্যবস্থা করুন।
আমাদের সাথে আপনি তাড়াতাড়ি বিচার চাইলে এবং গুরুত্বপূর্ণ মনে করলে শেয়ার করে রাখতে পারেন। ধন্যবাদ।


No comments:
Post a Comment