আমাদের আজকের এই পর্বে আমরা জানবো প্রাণীদের ভাষা সম্পর্কে,
আমাদের আধুনিক বিজ্ঞান প্রমান করতে পেড়েছে প্রাণিদের আলাদা আলাদা ভাষা রয়েছে।
প্রাণীবিদদের মত প্রাণিরাও মানুষের মত তাদের ভাব বিনিময় করে,তারা একেক সময়ে
একেক রকমের সাংকেতিক চিহ্ন ব্যবহার করে।
যেমনঃ
১। অনেক প্রাণীরা শত্রুর আগমন বোঝাতে শিস দেয়।
২। বাদুড় তার শিকারি প্রাণীর বিভিন্ন প্রজাতির ক্ষেত্রে বিভিন্নভাবে প্রায় ৩৩ রকমের শব্দ বা সংকেত তৈরি করতে পারে।
৩। নাচের মাধ্যমে মৌমাছিরা একে অন্যের সাথে কথা বলে।
৪। হাতি তার দলের একে অপরের শব্দ সুনিশ্চিতভাবে বুঝতে পারে।
৫। উইপোকাও একে অন্যের সাথে যোগাযোগ করে। যখন তারা বিপদে পড়ে, তখন মাটিতে শরীর দিয়ে আঘাত করে।
৬। সরীসৃপদের মধ্যে কচ্ছপ দৃষ্টি গন্ধ প্রভৃতি দ্বারা যোগাযোগ রক্ষা করে।
৭। পাখিরা স্বল্প শব্দ করে তাদের প্রয়োজনীয় কার্যক্রমের জন্য যেভাবে যোগাযোগ করে তাকে বলে ‘ডাক’। লম্বা ছন্দের শব্দের প্রকাশ করে গান গেয়ে। তবে পাখিরা প্রজননকালেই বেশি গান গায়।
[ পক্ষীবিজ্ঞানী জর্জ মিষ্ বলেন, ‘হঠাৎ করে আমি যখন অনুভব করি একান্ত নীরবতা তখন নিজের মনেই বলতে থাকি এখানকার পুরুষ পাখিরা হয় মরে গেছে, নয়তো তারা সবাই বিয়ে করে ফেলেছে।’ কোনো পুরুষ পাখি সঙ্গী হারালে আবার জোরেশোরে গানজুড়ে দেয় নতুন সঙ্গী পাওয়ার আশায়। ]
কিছু উদাহরন থেকে আমরা বুঝতে পেড়েছি, প্রানীরা তাদের মধ্যে যোগাযোগ করার জন্য তাদের আলাদা আলাদা ভাষা ব্যবহার করে।
আপনি জানলে অবাক হবেন, আধুনিক বিজ্ঞানের আবিষ্কার করা এসকল তথ্য ১৪০০ বছর আগেই আল্লাহ কোরআনে বলে দিয়েছেন।
এটি প্রমান করার জন্য আমরা কোরআনের দুইটি আয়াতের সাহায্য নেব।
১। সূরা নমলের ১৬ নম্বর আয়াত, এবং
২। সূরা বনী ইসরাঈলের ৪৪ নম্বর আয়াত।
সূরা নমলের ১৬ নম্বর আয়াতঃ
وَوَرِثَ سُلَيْمَانُ دَاوُودَ وَقَالَ يَا أَيُّهَا النَّاسُ عُلِّمْنَا مَنطِقَ الطَّيْرِ وَأُوتِينَا مِن كُلِّ شَيْءٍ إِنَّ هَذَا لَهُوَ الْفَضْلُ الْمُبِينُ
সুলায়মান দাউদের উত্তরাধিকারী হয়েছিলেন। বলেছিলেন, ‘হে লোক সকল, আমাকে উড়ন্ত পক্ষীকূলের ভাষা শিক্ষা দেয়া হয়েছে এবং আমাকে সব কিছু দেয়া হয়েছে। নিশ্চয় এটা সুস্পষ্ট শ্রেষ্ঠত্ব। ’
সূরা বনী ইসরাঈলের ৪৪ নম্বর আয়াতঃ
تُسَبِّحُ لَهُ السَّمَاوَاتُ السَّبْعُ وَالأَرْضُ وَمَن فِيهِنَّ وَإِن مِّن شَيْءٍ إِلاَّ يُسَبِّحُ بِحَمْدَهِ وَلَـكِن لاَّ تَفْقَهُونَ تَسْبِيحَهُمْ إِنَّهُ كَانَ حَلِيمًا غَفُورًا
সপ্ত আকাশ ও পৃথিবী এবং এগুলোর মধ্যে যাকিছু আছে সমস্ত কিছু তাঁরই পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করে। এবং এমন কিছু নেই যা তার সপ্রশংস পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষনা করে না। কিন্তু তাদের পবিত্রতা, মহিমা ঘোষণা তোমরা অনুধাবন করতে পার না। নিশ্চয় তিনি অতি সহনশীল, ক্ষমাপরায়ণ।
একটি তথ্য প্রকাশ করা, জানানো বা ঘোষনা করতে হলে কোন না কোন মাধ্যমের প্রয়োজন হয়।
যেহেতু এই আয়াতে বলা হয়েছে, ঘোষনা করার কথা সুতরাং তাদের মাধ্যমটি হচ্ছে ভাষা ।
তা নাহলে কিভাবে তারা কিভাবে পবিত্রতা এবং মহিমা ঘোষনা করবে।
আর আমরা কখনই প্রানীদের পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষনা করা বুঝতে পারি নাহ।
ধন্যবাদ, লেখাটি পড়ার জন্য। ভুলত্রুটি ক্ষমার চোখে দেখবেন।
ভালো খারাপ নিচের কমেন্ট বক্সে লিখে জানাবেন। লেখাটি ভালো লাগলে
বন্ধুদের শেয়ার করতে পারেন।
ধন্যবাদ, লেখাটি পড়ার জন্য। ভুলত্রুটি ক্ষমার চোখে দেখবেন।
ভালো খারাপ নিচের কমেন্ট বক্সে লিখে জানাবেন। লেখাটি ভালো লাগলে
বন্ধুদের শেয়ার করতে পারেন।

No comments:
Post a Comment